মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা, পরীক্ষার মানবন্টন, পড়ার খরচ
এইচএসসি পরীক্ষার পর তোমাদের অনেকেরই স্বপ্ন থাকে ডাক্তার হওয়ার। জীবনের কোনো না কোনো সময়ে Aim of Life রচনায় হয়তো লিখেছো যে তুমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাও। ডাক্তার একটি মহৎ পেশা। তুমি যদি এই মহৎ পেশায় যোগ দিতে চাও, তবে তোমাকে অবশ্যই তোমার যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
আজকের এই পোষ্টে আমরা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা, পরীক্ষার মানবন্টন, পড়ার খরচ নিয়ে আলোচনার করার পাশাপাশি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করব যা একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা
মেডিকেলে সবাই আবেদন করতে পারেনা। মেডিকেলে ভর্তির জন্য আবেদন করতে লাগে নির্দিষ্ট যোগ্যতা। আপনি যদি মেডিকেলের প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি যোগ্য কিনা ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য তা আগে যাচাই করে নিন।
- আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- এইচএসসি সমমান পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে এসএসসি সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার দুই (২) শিক্ষাবর্ষের মধ্যে উত্তীর্ণ হতে হবে।
- এসএসসি (মাধ্যমিক) এবং এইচএসসি (উচ্চমাধ্যমিক) বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়গুলোতে অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে।
- এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ থাকতে হবে।
- সকলের জন্যে এইচএসসি/ ‘এ’ লেভেল/সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৪.০ না থাকলে আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
- উপজাতীয় ও পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় শিক্ষার্থীদের বেলায় এসএসসি সমমান ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার মোট জিপিএ ৮.০০ হতে হবে। তবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ এর কম হলে আবেদনে যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় GPA কত
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ পয়েন্ট হতে হবে। তবে সকল আদিবাসী ও পার্বত্য জেলার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই দুটিতে মোট জিপিএ ন্যূনতম ৮.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে। এছাড়াও, এককভাবে কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ পয়েন্টের কম হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় আবশ্যিকভাবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান থাকতে হবে। জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ পয়েন্ট থাকা বাধ্যতামূলক।
আরো দেখুনঃ আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যোগ্যতা
মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষার মানবন্টন
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষার ১০০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ) থাকে, যার জন্য বরাদ্দ নম্বর হলো ১০০; আর বাকি ২০০ নম্বর থাকে জিপিএ-এর ওপর। চলুন, এই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাক:
১. MCQ এর ১০০ নম্বর
| বিষয় | নম্বর |
| জীববিজ্ঞান | ৩০ |
| রসায়ন | ২৫ |
| পদার্থ বিজ্ঞান | ২০ |
| ইংরেজি | ১৫ |
| সাধারণ জ্ঞান | ১০ |
| টোটাল = | ১০০ |
২. জিপিএ এর ২০০ নম্বর
| একাডেমিক | নম্বর |
| এসএসসি (GPA 5 x 15) | ৭৫ |
| এইচএসসি (GPA 5 x 25) | ১২৫ |
| টোটাল = | ২০০ |
মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষার নাম্বার কর্তন পদ্ধতি
মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষায় যদি কোন একটি প্রশ্ন ভুল হয় তাহলে 0.25 নাম্বার কাটা যাবে। যদি ৪টি প্রশ্ন ভুল হয় তাহলে ১ নাম্বার কাটা যাবে। এইসএসসি এবং এইচএসসি পরিক্ষায় যদি জিপিএ কম থাকে তাহলে এসএসসির জিপিএ কে ১৫ দিয়ে গুন এবং এইচএসসির জিপিএ কে ২৫ দিয়ে গুন করে যত নম্বর আসে তত কাউন্ট হবে।
মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষার পাশ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় যারা ৪০ নম্বরের কম পাবে, তাদের অকৃতকার্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। শুধুমাত্র কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদেরই মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলী
সাধারণত আমরা জানি যে, বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার দিন সকাল ৮টার দিকে কেন্দ্রে প্রবেশের গেট খোলা হয় এবং কোনো শিক্ষার্থী সকাল ৯:৩০ মিনিটের পরে পরীক্ষা হলে ঢুকতে চাইলে তাকে আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি সাথে আনতে হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। মেটাল ডিটেক্টরের পাশাপাশি আর্চওয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রবেশে নজর রাখা হবে, যাতে তারা প্রবেশপত্র ও বলপয়েন্ট কলম ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে হলে প্রবেশ করতে না পারে।
পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে শিক্ষার্থীরা কোনো অবস্থাতেই মোবাইল, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্লুটুথ, ইয়ারফোন ইত্যাদি ভেতরে নিতে পারবে না। এমনকি, ভর্তি পরীক্ষার হলের ভেতরের কাজের সাথে যুক্ত কেউই মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।
ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারো প্রবেশাধিকার থাকবে না।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আসন সংখ্যা
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার মোট আসন সংখ্যা হলো ৫,৩৮০। বাংলাদেশে মোট ১১০টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। এগুলি ছাড়াও, একটি আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ এবং পাঁচটি বেসরকারি আর্মি মেডিকেল কলেজও রয়েছে।
সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে মেধা তালিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলীতে এখন পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি; পূর্বে যে নিয়ম ছিল, এবারও সেই নিয়মেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার খরচ
সরকারি মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ার পরে সকলের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাই যে সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার খরচ?
মেডিকেল এ পড়ার সিস্টেম টা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মত নয়। পাচ বছরের শিক্ষাব্যবস্থাকে চারটি ফেজ এ ভাগ করা হয়। অর্থাৎ চার বার ফ্রম ফিলাপ করতে হয় এবং চারবার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়, যেগুলো প্রফেশনাল পরীক্ষা বলা হয়। আমরা প্রফ হিসেবে কেমন খরচ হয় তা আলোচনা করব।
প্রথমেই বলে রাখি। একেকজনের খরচ একেক রকম হবে, ব্যাসিক এবং সীমিতভাবে চললে কিরকম খরচ হতে পারে সেইটাই ধারণা দেওয়ার চেস্টা করব। মানুষভেদে কিছু কমবেশি হতে পারে।
১ম ফেজ এর খরচ
- সময়কাল: ১.৫ বছর বা ১৮ মাস।
- বই, খাতা ও নোটের খরচ: আনুমানিক ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা। সব বই একসঙ্গে না কিনে ধীরে ধীরে কেনা সম্ভব।
- বোনস বা কঙ্কাল কেনার খরচ: আনুমানিক ৩০,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা। এই কঙ্কাল পরবর্তীতে সামান্য কম/বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়া যায়।
- মাসিক খাদ্য খরচ: আনুমানিক ৪,০০০ টাকা (১৮ মাসে মোট ৭২,০০০ টাকা)। যারা হোস্টেলে খায়, তাদের জন্য প্রতি মিল ৫০ টাকা করে ধরলে দিনে দুটি মিলে ১০০ টাকা এবং ২৫ থেকে ৫০ টাকার নাস্তা লাগে।
- হোস্টেল ফি: সরকারি মেডিকেল কলেজে হোস্টেল ফি লাগে না। তবে যারা আলাদা বাসা বা মেসে থাকবে, তাদের জন্য এই খরচটি অতিরিক্ত হবে।
- ফর্ম পূরণের খরচ: আনুমানিক ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা।
১ম ফেজে সর্বমোট: প্রথম পর্বে সবমিলিয়ে আনুমানিক ১ লক্ষ ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
২য় ফেজ এর খরচ
- সময়: ১ বছর/১২ মাস
- বই, খাতা ও নোটের খরচ: আনুমানিক ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। সব বই একসঙ্গে কেনার প্রয়োজন নেই, ধীরে ধীরে কেনা যাবে। তবে দ্বিতীয় পর্বেই অনেকে ক্লিনিক্যাল বই কিনে থাকে, সেক্ষেত্রে খরচ কিছুটা বাড়বে।
ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:
- বিপি মেশিন: ১৬০০-২০০০ টাকা
- স্টেথোস্কোপ: ১৫০০-৯০০০ টাকা
- টিউনিং ফর্ক: ১৫০-২০০ টাকা
- হ্যামার: ১৫০-২০০ টাকা
- অটি ড্রেস ও সেন্ডেল: ৫০০
- ফ্রম ফিলাপ: ৭-১০ হাজার টাকার মত
- মাসিক খাদ্য খরচ: আনুমানিক ৪,০০০ টাকা (১২ মাসে মোট ৪৮,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা)। যারা হোস্টেলে খাবার খায়, তাদের জন্য প্রতি মিল ৫০ টাকা হিসেবে দিনে দুটি মিলে ১০০ টাকা এবং এর সাথে ২৫ থেকে ৫০ টাকার নাস্তা লাগে।
- হোস্টেল ফি: সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে হোস্টেল ফি দিতে হয় না। তবে যারা আলাদা বাসা বা মেস ভাড়া করে থাকবে, তাদের ক্ষেত্রে এটি একটি অতিরিক্ত খরচ হিসেবে বিবেচিত হবে।
২য় ফেজে সর্বমোট খরচ: আনুমানিক ৭০-৮০ হাজার পর্যন্ত লাগতে পারে।
৩য় ফেজ এর খরচ
- ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও বই: যদি দ্বিতীয় পর্বে এগুলো কেনা না হয়ে থাকে, তাহলে এই পর্বে কিনতে হবে।
- ফর্ম পূরণের খরচ: আনুমানিক ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা।
- মাসিক খাদ্য খরচ: আনুমানিক ৪,০০০ টাকা (১২ মাসে মোট ৪৮,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা)। যারা হোস্টেলে খাবার গ্রহণ করে, তাদের জন্য প্রতি মিল ৫০ টাকা হিসাবে দিনে দুটি মিলে ১০০ টাকা এবং এর সাথে ২৫ থেকে ৫০ টাকার নাস্তা লাগে।
- হোস্টেল ফি: সরকারি মেডিকেল কলেজে এই ফি লাগে না। তবে যারা আলাদা বাসা বা মেসে থাকবে, তাদের ক্ষেত্রে এটি অতিরিক্ত খরচ হিসেবে যোগ হবে।
৩য় ফেজে সর্বমোট: আনুমানিক ৭০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
চতুর্থ ফেজ / লাস্ট ফেজ এর খরচ
- সময়কাল: ১.৫ বছর বা ১৮ মাস।
- বই, খাতা ও নোটের খরচ: আনুমানিক ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা। সব বই একসঙ্গে না কিনে ধীরে ধীরে কেনা যাবে। ক্লিনিক্যাল বই যদি আগে কেনা না থাকে, তবে এই পর্বে অবশ্যই কিনতে হবে।
- ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও বই: যদি দ্বিতীয় বা তৃতীয় পর্বে এগুলো কেনা না হয়ে থাকে, তবে এই পর্বে কিনতে হবে।
- ফর্ম পূরণের খরচ: আনুমানিক ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা।
- মাসিক খাদ্য খরচ: আনুমানিক ৪,০০০ টাকা (১৮ মাসে মোট ৭২,০০০ থেকে ৭৫,০০০ টাকা)। যারা হোস্টেলে খায়, তাদের জন্য প্রতি মিল ৫০ টাকা হিসেবে দিনে দুটি মিলে ১০০ টাকা এবং এর সাথে ২৫ থেকে ৫০ টাকার নাস্তা লাগে।
- হোস্টেল ফি: সরকারি মেডিকেল কলেজে হোস্টেল ফি লাগে না। তবে যারা আলাদা বাসা বা মেস নিয়ে থাকবে, তাদের জন্য এই খরচটি অতিরিক্ত হবে।
চতুর্থ ফেজে / লাস্ট ফেজে সর্বমোট খরচ: চতুর্থ বা শেষ পর্বে মোট খরচ আনুমানিক ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
সুতরাং, চারটি পর্বে অর্থাৎ পাঁচ বছরে আনুমানিক ৪ লক্ষ থেকে ৪.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে এর মাঝে যদি কেউ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দেয়, তবে ফর্ম পূরণের জন্য খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন কেমন?
ভর্তি পরীক্ষা হয় ১০০ নম্বরের MCQ পদ্ধতিতে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
সরকারি মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার সময় এককালীন কত টাকা লাগে?
ভর্তির সময় এককালীন ফি (ভর্তি ফি, সেশন ফি, অন্যান্য ফি) সাধারণত ২০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকার মতো লাগে।
মেডিকেল মাসিক টিউশন ফি এবং হোস্টেল খরচ কেমন?
মাসিক টিউশন ফি সাধারণত ৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং সরকারি হোস্টেলের সিট ভাড়া মাসিক ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা হয়ে থাকে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?
হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর যোগ হয় এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্ন কোন বোর্ডের বই থেকে করা হয়?
প্রশ্ন সাধারণত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) অনুমোদিত এইচএসসি পর্যায়ের পাঠ্যবই বিশেষ করে জীববিজ্ঞান, রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান থেকেই করা হয়।
দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিলে কি কোনো নম্বর কাটা যায়?
হ্যাঁ, সাধারণত দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মেধা স্কোর থেকে ৫ নম্বর কেটে নেওয়া হয়। তবে কেউ যদি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়ে কোন সরকারি মেডিকেলে ভর্তি থেকে আবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তার ক্ষেত্রে ৭.৫ পয়েন্ট কাটা হবে।
সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কত পয়েন্ট লাগবে?
সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সর্বনিম্ন জিপিএ ৯.০০ থাকতে হবে, পার্বত্য জেলার উপজাতিয় ও অউপজাতিদের ক্ষেত্র ৮.০০ পয়েন্ট লাগবে।
বাংলাদেশে কতটি সরকারী মেডিকেল কলেজ রয়েছে
বাংলাদেশে মোট ৩৭টি সরকারী মেডিকেল কলেজ রয়েছেঃ
- ঢাকা বিভাগে রয়েছে দশ ১০ টি
- চট্টগ্রাম বিভাগের ছয় ৬ টি
- রাজশাহী বিভাগে পাঁচ ৫ টি
- খুলনা বিভাগে পাঁচ ৫ টি
- রংপুর বিভাগে তিন ৩ টি
- সিলেট বিভাগে তিন ৩ টি
- ময়মনসিং বিভাগে তিন ৩ টি
- বরিশাল বিভাগে দুই ২ টি মেডিকেল কলেজ অবস্থিত।
